টাঙ্গাইলে মানুষের পেটে বাঘের বাচ্চা
নিউজ ডেস্ক ||
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সালেহা বেগম নামে এক নারী অপরিণত বয়সের অস্বাভাবিক সন্তান প্রসব করেছেন। তবে চারদিকে খবর রটে যায় যে, মানুষের পেট থেকে বাঘের বাচ্চা হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা বলছেন, এটি পুরোপুরি গুজব। কারণ মানুষের গর্ভে বাঘের বাচ্চা হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আরএমও ডা. আশরাফ আলী জানান, গত সোমবার সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বরুহা গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী সালেহা বেগম প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এর আগে সালেহা একবারের জন্যও ডাক্তার দেখাননি। দুপুরে তিনি স্বাভাবিক-প্রক্রিয়ায় একটি অপরিপক্ব সন্তান প্রসব করেন।
দেখা যায়, ওই সন্তানের গায়ে কোনো চামড়া নেই। এছাড়া নাক, কান, চোখ কিছুই হয়নি। যৌনাঙ্গটিও স্পষ্ট নয়। তবে যতটুকু বুঝা যায় তাতে সন্তানটি ‘ছেলে’ বলেই মনে হয়। শিশুটির ওজন হয়েছে মাত্র এক কেজি তিন শ’ গ্রাম। গর্ভে ৩৮ সপ্তাহের স্থলে ৩১ সপ্তাহে শিশুটি ভূমিষ্ট হয়।
আরএমও জানান, চামড়া না থাকায় শিশুটির গায়ে রক্তের লালচে দাগ রয়েছে। সাধারণত বাঘের গায়ে কাছাকাছি ধরনের ডোরাকাটা দেখা যায়। আর তাতেই গুজব ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকাল থেকে উৎসুক লোকজন শিশুটি দেখতে হাসপাতালে ভিড় করতে থাকে। তবে শিশুটির শারীরিক অবস্থা মোটেও ভালো নয়। তাই মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে শিশুটিকে ঢাকায় রেফার করা হয়। কিন্তু শিশুটির অভিভাবকরা তাকে নিয়ে ঢাকায় গেছেন কিনা জানা যায়নি।
No comments:
Post a Comment